সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শীত, নখদন্তে ।। হামিদ রায়হান









 উৎসর্গ : ফরিদ আহমদ কিরণ
             








 তোমাকে চেয়েছি দিনে ও রাত্তিরে। তাই ফাঁকে ফাঁকে
তোমাকে ছোঁয়ার উছিলায় তাসের তেপ্পান্নগলি খুঁজি
 যথেষ্ট প্রেমিক নই, ভেবে, সংহিতা, বিস্তৃত করো
তোমার  প্রেমের ভাষাÑস্তব্ধজিহ্বা, ক্ষুধা ও চুম্বন,


আগুনের স্পর্ধা দেখতে দেখতে যায় মেঘ, মনোরম
করপুটে গুঁড়ো হলে বিষাদ বুঝি এ তোমার প্রেম
ভয়াবহ, স্পর্শময়। অনাগ্রহে বসে আমি দেখি
হারিয়ে যাওয়া গ্রাম কুয়াশায় রক্তের স্পন্দন

শীত, নখদন্তে খামছে আছে আমাদের প্রাত্যহিকতা
মাংসের দোকান, গ্রীষ্মকাল, স্ত্রীমানুষ, ফলের সিজন
কাঠে
ওটিরুম স্তূপ করছি, মা, জেনো, আমি নিরুপায়,
এই গ্রীষ্মে; মুখাগ্নি দিলে, বুঝবে, আপাতত এখন-

উঠুক পৃথিবী ভরে ভ্যানগগ তীব্রোন্মাদনায়
ধৈর্য ধরো, সর্বংসহা, বেরচ্ছে আমার রক্তমাথা

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Destination of Poetry ।। কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ

কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ                      হমিদ রায়হান কবিতা কী এ তর্ক প্রাচিনকাল থেকে প্রচলিত। বিভিন্ন জনে বিভিন্নভাবে একে দেখেছে, তা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। জীবনকে সামগ্রিকভাবে কত জনে বর্ণনা করতে পারে, বলা মুশকিল। এ যেন নানা জনে নানা মতে’র মতো একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা কেবল একজন পাঠক হিসেবে, দর্শক হিসেবে দেখা যায়, উল্টে পৃষ্ঠে এর এপিঠ-ওপিঠ দেখা যায়, এর বাইরে কী কল্পনা যায়, সময়ই একে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে এটা সত্য যে, কবিতার আদিকাল থেকে এর বিবর্তনের পরিক্রমায় যে বৈশিষ্ট্যগুলো, যে উপাত্তগুলো দেখা যায়, তা কোনভাবে কি দূরে সরিয়ে রাখা যাবে, বলা কঠিন। জসীমউদ্দীন বাঙলা কবিতায় যে উপরিকাঠামোর মধ্য দিয়ে যে জগতকে পাঠকের সামনে উন্মোচিক করেন, তা শণাক্তযোগ্য, স্মরণীয়। তাঁর কবিতায় যে তখনকার সমাজের, যাপনের টুকরো টুকরো সম্পর্কগুলো উঠে এসেছে, যা একটি ক্ল্যাসিকধর্মি অবয়ব তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছে। আল মাহমুদ নিজস্ব কণ্ঠকে, নিজের অস্তিত্বকে চিহ্ণিত করলেও এর উপাত...

দেখুন

 দেখুন উৎসর্গ: নান্টু রায়, প্রিয় মানুষ ও সম্পাদক একজন রমণি জ্বলছে  কেরসিনে তার থেকে আর একজন রমণি জ্বলছে। আগুণ বাড়ছে। রমণি বাড়ছে। আগুন বেড়ে যাচ্ছে।