সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

একটু ভেবে দেখবেন

 একটু ভেবে দেখবেন


পরিবেশ যেভাবে দিন দিন অসহনীয় হয়ে তাতে কোথায় গিয়ে মানুষের পিঠ ঠেকেছে তা আঙুল দিয়ে কারো বলা প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়। যেভাবে পারছে নিজের মতো তার চারপাশের পরিবেশ ও পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে, নিয়ম ও কানুন কিবা নিজের সঙ্গে নিজের যতই বিরোধ থাকুক  না কেন, চোখের পলকে নিজেকে জলাজ্ঞলি দিচ্ছে, তাতে সাময়িকভাবে নিজের কতটা লাভ হল সেটাই মূল বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাতে পরিবারের, সমাজের, রাষ্ট্রের কিংবা অনাগত কিবা এই প্রজন্মের কতটা লাত হল সেক্ষেত্রে নিজে অন্ধ।
ফকরুল চৌধুরী, এ সময়ের একজন পরিশ্রমি ও মেধাবি লেখক, তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে তিনি সমাজের ভেতরকার ক্ষতগুলো তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। তাঁর কাজগুলো্ বেশ আলোচনার দাবি রাখে। যেমন তিনি সমাজের নিম্নবরগিয় মানুষদের ভিন্ন আলোকে উপস্থাপন করেছেন, সঙ্গে আমাদের অবলোকনের পরযায়গুলোকে একটি ইতিহাস প্রেক্ষিতে হাজির করেছেন সমাজতত্ত্বের পরম্পরায়, যা সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে।
মুজাহিদ আহমেদ, কবি ও কোরাস সম্পাদক, সাহিত্যের প্রতি নিবিদিত প্রাণ, আষ্টে পৃষ্টে রয়েছে তাঁর জীবন এর সাতপাঁকে।
আবু মকসুদ, লন্ডন প্রবাসি, দেশ থেকে বহূ দূরে থাকা সত্ত্বেও দেশ ও সাহিত্যের প্রতি পরম মমতা থাকার কারণে  যেভাবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তা যে কারও দৃষ্টিকে আনত করবে নিঃসন্দেহে।
একইভাবে কবি মাহমুদ কামাল ঢাঙ্গাইল থেকে অরণি সম্পাদনা করছেন, সম্পৃক্ত করছেন অসংখ্য কবি ও সাহিত্যপ্রমি মানুষকে, তা কতটা শ্রমের ও কষ্টের ত, ত্যাগের  ও বিসর্জনের তা যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত কেবল তারাই বলতে পারবেন। সালাম মাহমুদ কথাটা কি ঠিক? বলুন, আপনি তো পরাগ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা করছেন, তাই না?
বলৃন, কবি ইকবাল করিম রিপন, আমি কি সত্যি বলছি?

আমি, হামিদ রায়হান উত্তরপুরুষ নামে একটি কবিতার কাগজ বের করছি, জানি কতটা রক্ত ঘাম এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
অনুপম হাসান আপনি বলুন তো কথাটাি কি ঠিক? আপনি তো রাঢবঙ্গ নামে একটি বের করছেন।

 কথাগুলো বলার একটি কারণ, আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র এবং এর অধিবাসি কিবা সারা বিশ্বের মানুষ আজকের প্রেক্ষাপটে কী ব্যাখ্যাহীন সময়ের মধ্যে তাদের সময়কে অতিবাহিত করছেন, এর ধরন কী, তা কতটা উঠে আসছে আমাদের সাহিত্যে, কাগজে, কিবা যাপনের পরতে পরতে।

সময় আজ সত্য বলার, নিজের কণ্ঠকে উচিয়ে ধরার, তা কি উঠে আসছে। রাষ্ট কি আমার কথা বরছে, ফখরুল, বলেন? আপনি তো কাজ করেছেন নিম্নবরগিয় মানুষদের নিয়ে, তাই না?

হামিদ রায়হান
কবি, কথা সাহিত্যিক

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Destination of Poetry ।। কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ

কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ                      হমিদ রায়হান কবিতা কী এ তর্ক প্রাচিনকাল থেকে প্রচলিত। বিভিন্ন জনে বিভিন্নভাবে একে দেখেছে, তা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। জীবনকে সামগ্রিকভাবে কত জনে বর্ণনা করতে পারে, বলা মুশকিল। এ যেন নানা জনে নানা মতে’র মতো একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা কেবল একজন পাঠক হিসেবে, দর্শক হিসেবে দেখা যায়, উল্টে পৃষ্ঠে এর এপিঠ-ওপিঠ দেখা যায়, এর বাইরে কী কল্পনা যায়, সময়ই একে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে এটা সত্য যে, কবিতার আদিকাল থেকে এর বিবর্তনের পরিক্রমায় যে বৈশিষ্ট্যগুলো, যে উপাত্তগুলো দেখা যায়, তা কোনভাবে কি দূরে সরিয়ে রাখা যাবে, বলা কঠিন। জসীমউদ্দীন বাঙলা কবিতায় যে উপরিকাঠামোর মধ্য দিয়ে যে জগতকে পাঠকের সামনে উন্মোচিক করেন, তা শণাক্তযোগ্য, স্মরণীয়। তাঁর কবিতায় যে তখনকার সমাজের, যাপনের টুকরো টুকরো সম্পর্কগুলো উঠে এসেছে, যা একটি ক্ল্যাসিকধর্মি অবয়ব তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছে। আল মাহমুদ নিজস্ব কণ্ঠকে, নিজের অস্তিত্বকে চিহ্ণিত করলেও এর উপাত...

শীত, নখদন্তে ।। হামিদ রায়হান

 উৎসর্গ : ফরিদ আহমদ কিরণ                 তোমাকে চেয়েছি দিনে ও রাত্তিরে। তাই ফাঁকে ফাঁকে তোমাকে ছোঁয়ার উছিলায় তাসের তেপ্পান্নগলি খুঁজি  যথেষ্ট প্রেমিক নই, ভেবে, সংহিতা, বিস্তৃত করো তোমার  প্রেমের ভাষাÑস্তব্ধজিহ্বা, ক্ষুধা ও চুম্বন, আগুনের স্পর্ধা দেখতে দেখতে যায় মেঘ, মনোরম করপুটে গুঁড়ো হলে বিষাদ বুঝি এ তোমার প্রেম ভয়াবহ, স্পর্শময়। অনাগ্রহে বসে আমি দেখি হারিয়ে যাওয়া গ্রাম কুয়াশায় রক্তের স্পন্দন শীত, নখদন্তে খামছে আছে আমাদের প্রাত্যহিকতা মাংসের দোকান, গ্রীষ্মকাল, স্ত্রীমানুষ, ফলের সিজন কাঠে ওটিরুম স্তূপ করছি, মা, জেনো, আমি নিরুপায়, এই গ্রীষ্মে; মুখাগ্নি দিলে, বুঝবে, আপাতত এখন- উঠুক পৃথিবী ভরে ভ্যানগগ তীব্রোন্মাদনায় ধৈর্য ধরো, সর্বংসহা, বেরচ্ছে আমার রক্তমাথা

দেখুন

 দেখুন উৎসর্গ: নান্টু রায়, প্রিয় মানুষ ও সম্পাদক একজন রমণি জ্বলছে  কেরসিনে তার থেকে আর একজন রমণি জ্বলছে। আগুণ বাড়ছে। রমণি বাড়ছে। আগুন বেড়ে যাচ্ছে।