সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

microfiction as Introduction



Beyond the joint alone microfiction wrote in the title. I finished it today. I do not know how, but to a lot of effort, we can say that the eyes are closed.A lot of blood, sweat-is intertwined with that of people around the artificial and the formal act of love.That's all I've been trying to catch up with everything inside and outside.Loneliness in the form of living with respect to adherence to the need to give concrete form to the novel, it pabara to swear.

 
How many people in the artificial, that many of the past studies. Kanamaba in the field, it is not possible. The countless number of, once around the eyes can be understood bulale. The research does not seem to need.The number of days. Lalasatarita lobhi and the number of people that are around, to compete with the increasing number of sick people, it is the key aspects of the idea.But it's true, sensitive man described as a literary man, but the trends are very much in this world that people can not be kept away anyway.At the talk, hard cover. So, put it writing.For a while.For the next.For some.
 Or he still did not see her.

।।বাঙলা ভার্সন

Beyond the joint alone এ শিরোনামে একটি ম্যাক্রোপন্যাস লিখলাম। আজ এটি সমাপ্ত করলাম। কেমন হলো জানি না, তবে অনেক শ্রম দিতে হলো, তা চোখ বুজে বলতে পারি। 
অনেক ঘাম-রক্ত এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে, আছে চারপাশের মানুষের কৃত্রিমতা ও পোশাকি ভালবাসার অভিনয়। 
যে সব দেখলাম এর ভেতরের ও বাইরের সবকিছু তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
যাপনের একাকিত্বকে ভাষায় রূপে দিতে যা যা অনুষঙ্গ এর সাপেক্ষে দরকার তা এ উপন্যাসে মূর্ত রূপ পেয়েছে, তা হলফ করে বলতে পাবর।
 সমাজের কত জন মানুষ কৃত্রিম, কতজন এর বাইরে তা গবেষণার অতীত। এ নিয়ে মাঠে কানামব, তা সম্ভবও নয়। এর সংখ্যা যে অগণিত, তা চারপাশে একবার চোখ বুলালে বোঝা যাবে। এজন্য গবেষণার দরকার আছে বলে মনে হয় না।
এর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চারদিকে লোভি ও লালসাতাড়িত মানুষের সংখ্যা যে বেশি, সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অসুস্থ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, তা কী  ভাবনার অনুষঙ্গ নয়।
তবে এটা সত্য, সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে লেখালেখির মানুষকে বলা হলেও বর্ণিত প্রবণতাগুলো এই দুনিয়ার মানুষের মধ্যে খুবই বেশি তা কোনভাবে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে না।
এ কথা বলব, বলাও কঠিণ। তাই লিখেই রাখলাম। 
কালের জন্য।
আগামির জন্য।
কারো কারো জন্য
অথবা  যাকে এখনও দেখলাম না, তার জন্য।



Hamid Raihan

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Destination of Poetry ।। কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ

কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ                      হমিদ রায়হান কবিতা কী এ তর্ক প্রাচিনকাল থেকে প্রচলিত। বিভিন্ন জনে বিভিন্নভাবে একে দেখেছে, তা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। জীবনকে সামগ্রিকভাবে কত জনে বর্ণনা করতে পারে, বলা মুশকিল। এ যেন নানা জনে নানা মতে’র মতো একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা কেবল একজন পাঠক হিসেবে, দর্শক হিসেবে দেখা যায়, উল্টে পৃষ্ঠে এর এপিঠ-ওপিঠ দেখা যায়, এর বাইরে কী কল্পনা যায়, সময়ই একে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে এটা সত্য যে, কবিতার আদিকাল থেকে এর বিবর্তনের পরিক্রমায় যে বৈশিষ্ট্যগুলো, যে উপাত্তগুলো দেখা যায়, তা কোনভাবে কি দূরে সরিয়ে রাখা যাবে, বলা কঠিন। জসীমউদ্দীন বাঙলা কবিতায় যে উপরিকাঠামোর মধ্য দিয়ে যে জগতকে পাঠকের সামনে উন্মোচিক করেন, তা শণাক্তযোগ্য, স্মরণীয়। তাঁর কবিতায় যে তখনকার সমাজের, যাপনের টুকরো টুকরো সম্পর্কগুলো উঠে এসেছে, যা একটি ক্ল্যাসিকধর্মি অবয়ব তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছে। আল মাহমুদ নিজস্ব কণ্ঠকে, নিজের অস্তিত্বকে চিহ্ণিত করলেও এর উপাত...

শীত, নখদন্তে ।। হামিদ রায়হান

 উৎসর্গ : ফরিদ আহমদ কিরণ                 তোমাকে চেয়েছি দিনে ও রাত্তিরে। তাই ফাঁকে ফাঁকে তোমাকে ছোঁয়ার উছিলায় তাসের তেপ্পান্নগলি খুঁজি  যথেষ্ট প্রেমিক নই, ভেবে, সংহিতা, বিস্তৃত করো তোমার  প্রেমের ভাষাÑস্তব্ধজিহ্বা, ক্ষুধা ও চুম্বন, আগুনের স্পর্ধা দেখতে দেখতে যায় মেঘ, মনোরম করপুটে গুঁড়ো হলে বিষাদ বুঝি এ তোমার প্রেম ভয়াবহ, স্পর্শময়। অনাগ্রহে বসে আমি দেখি হারিয়ে যাওয়া গ্রাম কুয়াশায় রক্তের স্পন্দন শীত, নখদন্তে খামছে আছে আমাদের প্রাত্যহিকতা মাংসের দোকান, গ্রীষ্মকাল, স্ত্রীমানুষ, ফলের সিজন কাঠে ওটিরুম স্তূপ করছি, মা, জেনো, আমি নিরুপায়, এই গ্রীষ্মে; মুখাগ্নি দিলে, বুঝবে, আপাতত এখন- উঠুক পৃথিবী ভরে ভ্যানগগ তীব্রোন্মাদনায় ধৈর্য ধরো, সর্বংসহা, বেরচ্ছে আমার রক্তমাথা

দেখুন

 দেখুন উৎসর্গ: নান্টু রায়, প্রিয় মানুষ ও সম্পাদক একজন রমণি জ্বলছে  কেরসিনে তার থেকে আর একজন রমণি জ্বলছে। আগুণ বাড়ছে। রমণি বাড়ছে। আগুন বেড়ে যাচ্ছে।