সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নারি কি পন্য





















নারি কি পন্য?
টিভি, সিমেমায়, বিজ্ঞ্জাপনে, জীবনযাপনের সর্বত্র যেন আজ নারির যে হালচিত্র চোখে পড়ে, তাতে অনেকসময় দ্বিধা-দ্বন্ধ্বে পড়ি, সবস্থানে নারির উপস্থিতি, তা কি প্রমাণ করে নারির জয়যাত্রা? বিভিন্ন লোকে বিভিন্নভাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবে। তবে, এটা সত্য, আজকের নারিকে আমরা যে পর্যায়ে দেখি, তা পুলকিত করে; চোখ বিস্ময়ে ছলছল করে. নিঃসন্দেহে।
কথা হল. নারিকে ব্যক্তি পর্যায় থেকে রাষ্ট্রিয় পর্যায়ের উচ্চ স্তর অবধি যে নগ্ন চিত্র দেখি, তাকে কি নারিকে মহৎ উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা বলে? যে কোন পণ্যের প্রসারের কথা উঠলে, নারিকে এর সমান্তরাল ভাবা হয়, এবং সেই অনুযায়ি তাদের ব্যবহার করা হয়। তাতে কি প্রমাণ করে, নারিকে পুরুষের একই সমতায় ভাবা হয়, এ কথা বুকে হাত দিয়ে বলা যাবে। অবশ্য না।


















নারি সর্বত্র উঠে আসুক, এটা যে কোন সুস্থ মানুষ চায়। স্বাভাবিক। কিন্তু, নারির যে বিচরণ আমরা দেখি, তা কি তাদের সুস্থ উপস্থাপন বলা যাবে?

  কী কুশ্রি, বিশ্রি, নোংরা উপস্থাপন, একবার ভাবুন!

তবে কি অাপনি সত্যি সত্যি  পন্য?

যদি এর থেকে 

বের হয়ে না 

আসতে পারেন, 

তাহলে এর দায় 

                          আপনার, আর কারও নয়।


প্রিয় পাঠক, আপনি বলুন।
নারি, আপনি বলুন।
পন্য ও আপনি একই কাতারে বিবেচনা করা হয়।
বিদ্রোহ হোক আপনাকে দিয়েই।

আমি আমরা আপনার সঙ্গে আছি।
এখন থেকে প্রকতটি বিষয়ের প্রতি চোখ রাখুন।
 দেখুন, আপনাকে আপনার চারপাশ কিভাবে দেখছে। নারি নয়, মানুষের মতো, য়ুম্যানের মতো চালিয়ে যান আপনার কর্ম। তাতে কে এল, কিংবা কে এল না।  এদিকে দৃষ্টি দিবেন না।
জয় আপনার হবে।
সুস্থতার, মানতার, মানুষের।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Destination of Poetry ।। কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ

কবিতার ভবিতব্য: একটি সাম্প্রতিক পাঠ                      হমিদ রায়হান কবিতা কী এ তর্ক প্রাচিনকাল থেকে প্রচলিত। বিভিন্ন জনে বিভিন্নভাবে একে দেখেছে, তা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। জীবনকে সামগ্রিকভাবে কত জনে বর্ণনা করতে পারে, বলা মুশকিল। এ যেন নানা জনে নানা মতে’র মতো একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা কেবল একজন পাঠক হিসেবে, দর্শক হিসেবে দেখা যায়, উল্টে পৃষ্ঠে এর এপিঠ-ওপিঠ দেখা যায়, এর বাইরে কী কল্পনা যায়, সময়ই একে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে এটা সত্য যে, কবিতার আদিকাল থেকে এর বিবর্তনের পরিক্রমায় যে বৈশিষ্ট্যগুলো, যে উপাত্তগুলো দেখা যায়, তা কোনভাবে কি দূরে সরিয়ে রাখা যাবে, বলা কঠিন। জসীমউদ্দীন বাঙলা কবিতায় যে উপরিকাঠামোর মধ্য দিয়ে যে জগতকে পাঠকের সামনে উন্মোচিক করেন, তা শণাক্তযোগ্য, স্মরণীয়। তাঁর কবিতায় যে তখনকার সমাজের, যাপনের টুকরো টুকরো সম্পর্কগুলো উঠে এসেছে, যা একটি ক্ল্যাসিকধর্মি অবয়ব তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছে। আল মাহমুদ নিজস্ব কণ্ঠকে, নিজের অস্তিত্বকে চিহ্ণিত করলেও এর উপাত...

শীত, নখদন্তে ।। হামিদ রায়হান

 উৎসর্গ : ফরিদ আহমদ কিরণ                 তোমাকে চেয়েছি দিনে ও রাত্তিরে। তাই ফাঁকে ফাঁকে তোমাকে ছোঁয়ার উছিলায় তাসের তেপ্পান্নগলি খুঁজি  যথেষ্ট প্রেমিক নই, ভেবে, সংহিতা, বিস্তৃত করো তোমার  প্রেমের ভাষাÑস্তব্ধজিহ্বা, ক্ষুধা ও চুম্বন, আগুনের স্পর্ধা দেখতে দেখতে যায় মেঘ, মনোরম করপুটে গুঁড়ো হলে বিষাদ বুঝি এ তোমার প্রেম ভয়াবহ, স্পর্শময়। অনাগ্রহে বসে আমি দেখি হারিয়ে যাওয়া গ্রাম কুয়াশায় রক্তের স্পন্দন শীত, নখদন্তে খামছে আছে আমাদের প্রাত্যহিকতা মাংসের দোকান, গ্রীষ্মকাল, স্ত্রীমানুষ, ফলের সিজন কাঠে ওটিরুম স্তূপ করছি, মা, জেনো, আমি নিরুপায়, এই গ্রীষ্মে; মুখাগ্নি দিলে, বুঝবে, আপাতত এখন- উঠুক পৃথিবী ভরে ভ্যানগগ তীব্রোন্মাদনায় ধৈর্য ধরো, সর্বংসহা, বেরচ্ছে আমার রক্তমাথা

দেখুন

 দেখুন উৎসর্গ: নান্টু রায়, প্রিয় মানুষ ও সম্পাদক একজন রমণি জ্বলছে  কেরসিনে তার থেকে আর একজন রমণি জ্বলছে। আগুণ বাড়ছে। রমণি বাড়ছে। আগুন বেড়ে যাচ্ছে।